কম্পিউটার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কম্পিউটার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১১

বাংলাদেশী ল্যাপটপ দোয়েল


আমরা সবাই জানি যে বাংলাদেশী ল্যাপটপ "দোয়েল" এখন শুধু বাজারে আসার অপেক্ষায়। আসুন আমরা জেনে নেই কি কি আছে এই ল্যাপটপে এবং এর মূল্য কত?
Doel Netbook basic: 10,000/= only 
Doel Netbook standerd: 15,500/= only 
Doel Netbook Standerd 2: 20,000/= only 
Doel Laptop: 25,000/= only
বিঃ দ্রঃ এই মুল্য পরিবর্তন হতে পারে।








এই দোয়েল নেটবুক এ আছে-
মনিটরঃ ১০.১"
প্রসেসরঃ ইন্টেল আ্যাটম প্রসেসর ১.৬৬ গিগাহার্টজ
হার্ডডিস্কঃ ২৫০ গিগাবাইট
অন্যান্যঃ WIFI, 1.3 মেগাপিক্সেল ওয়েবক্যাম, 3 in 1 card reader
ইউএসবিঃ ২.০
ব্যাটারীঃ  Three cell Battery দুই ঘন্টা ব্যাটারি ব্যাকআপ
OS: Linux

বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর, ২০১০

কিভাবে কম্পিউটারে শর্টকাট কি তৈরী করবেন?

কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের কাজ করার জন্য প্রায় সময়ই বিভিন্ন প্রোগ্রাম ইনস্টল করা হয়। তবে সব প্রোগ্রাম সব সময় ব্যবহার করা হয় না। নিয়মিত ব্যবহারের প্রয়োজন হয় এমন প্রোগ্রামগুলো দ্রুত এবং সহজে চালু করার জন্য কিবোর্ড শর্টকাট তৈরি করে নেওয়া যায়। প্রয়োজনে ইনস্টল করা সব প্রোগ্রামের জন্যই এমন শর্টকাট তৈরি করা যাবে। কিবোর্ড শর্টকাট তৈরি করতে উইন্ডোজের স্টার্ট মেনু থেকে শর্টকাট তৈরি করতে চাইছেন এমন সফটওয়্যারটিতে ডান ক্লিক করে প্রোপার্টিস নির্বাচন করুন। এবার প্রোপার্টিস উইন্ডোর শর্টকাট ট্যাব থেকে Shortket key : এর পাশের খালি জায়গায় লিখে দিতে হবে পছন্দের শর্টকাট কি। তবে সরাসরি কিগুলোর নাম লিখতে হবে না। কিবোর্ড থেকে কোনো নির্দিষ্ট বোতাম চাপলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেটি নির্দিষ্ট হয়ে যাবে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, যদি A বোতাপ চাপা হয়, তবে শর্টকাট কি হবে Ctrl+Alt+A। এভাবে অন্য যেকোনো বোতাম নির্ধারণ করে দেওয়া যাবে। তবে সব সময়ই শর্টকাট কি হবে Ctrl+Alt-এর পর অন্য কোনো বোতাম।

কিভাবে কম্পিউটার দ্রুত বন্ধ করবেন?

আমরা সাধারণত কম্পিউটার শাট ডাউন করি স্টার্ট মেনু থেকে। কিন্তু বিশেষ ক্ষেত্রে কম্পিউটার দ্রুত বন্ধ করতে করতে হয়। এ জন্য আপনাকে কি-বোর্ডে উইনডোজ কিতে (Ctrl এবং Alt-এর মাঝখানে) একবার চাপ দিয়ে দুবার U চাপতে হবে। তাহলে কম্পিউটার আপনা-আপনি বন্ধ (শাটডাউন) হবে। পরে আবার ইচ্ছে করলে কম্পিউটার ওপেন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো পদ্ধতির দরকার হবে না।

রবিবার, ৩ অক্টোবর, ২০১০

সেফ মুডে কম্পিউটার কিভাবে চালাবেন


উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীরা ‘সেফ মোডে’ কম্পিউটার চালানো সম্পর্কে কমবেশি জানেন। অপারেটিং সিস্টেম যখন সেফ মোডে চালু হয় তখন সীমিত সংখ্যক প্রয়োজনীয় ড্রাইভার ও সফটয়্যার লোড হয়। সাধারণত ভাইরাস থেকে পিসিকে রক্ষা করার জন্য বা অপারেটিং সিস্টেমের আনুষঙ্গিক কোনো কাজের জন্য অপারেটিং সিস্টেম সেফ মোডে লোড করা হয়।
ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকার জন্য সেফ মোড চালু করতে তাহলে আপনাকে কিছু ধাপ অবলম্বন করতে হবে। প্রথমে ‘স্টার্ট’-এ গিয়ে Run ঢুকতে হবে। এবার msconfig লিখে এন্টার চাপতে হবে। তাহলে ‘System Configeration’ নামে একটা ডায়ালগ বক্স আসবে। এবারে বক্সের ‘Boot’ ট্যাবে ক্লিক করতে হবে। এবারে ‘Boot Option’ অংশের ‘Safe boot’-এর পাশে চেক ইন করতে হবে। এবং সেই সঙ্গে ‘Minimal’ অপশনটি নির্বাচন করতে হবে। তাহলেই আপনার কম্পিউটার সেফ মোডে চলার জন্য তৈরি হয়ে যাবে। এবার আপনি যখনই কম্পিউটার চালু করবেন, তখনই অপারেটিং সিস্টেম লোড হবে সেফ মোডে।

বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১০

পেনড্রাইভে ভাইরাস আক্রান্ত ফাইল পুনরুদ্ধার


অনেক সময় দেখা যায় পেনড্রাইভে ভরে দরকারি কোনো ফাইল নিয়ে গেলেন প্রিন্ট করার জন্য। তখন আপনার পেনড্রাইভটি নিয়ে ভালো কোনো কম্পিউটারে (যে কম্পিউটারে ভাইরাস নেই এবং সাম্প্রতিকতম অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার আছে) পরীক্ষা করবেন। পরীক্ষা বা স্ক্যান করার সময় হয়তো দেখা গেল পেনড্রাইভে ভাইরাস বা ওয়ার্ম রয়েছে। ভাইরাস আক্রান্ত কিছু ফাইলকে অ্যান্টিভাইরাস মুছে দিতে পারে।স্ক্যান শেষ হওয়ার পর পেনড্রাইভ ফাঁকা দেখাতে পারে।অর্থাৎ পেনড্রাইভে কিছুই নেই।
ভয়ের কিছু নেই।এমন হলে পেনড্রাইভে মাউসের ডান ক্লিক করে প্রোপার্টিজে গিয়ে দেখা যাবে, পেনড্রাইভে কিছু ফাইল বা ডেটা আছে কিন্তু সেগুলো দেখা যাচ্ছে না। সেগুলো দেখার জন্য My Computer-এর মেনুবারের Tools থেকে Folder options নির্বাচন করে View-এ ক্লিক করুন। এখন Show hidden files and folders-এ টিক চিহ্ন দিন এবং Hide extensions.. এবং Hide protected.. বক্স থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে OK করুন। এখন দেখবেন পেনড্রাইভে আপনার ফাইল, ফোল্ডারগুলো লুকানো অবস্থায় দেখা যাচ্ছে এবং সেগুলো ভালো আছে, নষ্ট হয়নি। পেনড্রাইভে করে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার অন্য কোনো কম্পিউটারে নিতে চাইলে সেগুলো জিপ করে নেবেন। জিপ করা ফাইল বা ফোল্ডারে ভাইরাস আক্রমণ করে না। কোনো ফাইল বা ফোল্ডার জিপ করতে চাইলে সেটিতে ডান ক্লিক করে Send to Compressed (Zipped)-এ ক্লিক করুন। দেখবেন জিপ হয়ে গেছে। আবার আনজিপ করতে চাইলে সেটিতে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Extract All-এ ক্লিক করে পরপর দুবার Next-এ ক্লিক করতে হবে।

সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১০

উইন্ডোজ এক্সপিতে পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে

আপনার কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড ভুলে গেলেও ইচ্ছা করলে আপনার কম্পিউটার চালু করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে কম্পিউটার যখন পাসওয়ার্ড চাইবে তখন কিবোর্ড থেকে Ctrl+Alt চেপে ধরে পরপর দুবার Delete চাপুন। দেখবেন নতুন একটি উইন্ডো এসেছে। সেটিতে User name-এ administrator লিখে ok করুন। দেখবেন কম্পিউটারটি চালু হয়েছে। তবে আপনি যদি অপারেটিং সিস্টেম সেটআপ দেওয়ার সময় পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকেন অর্থাৎ আপনার কম্পিউটারের administrator-এর পাসওয়ার্ড দেওয়া থাকে, তাহলে কম্পিউটার চালু হবে না। এ ক্ষেত্রে নতুন করে আবার অপারেটিং সিস্টেম সেটআপ দিতে হবে। আর কম্পিউটারের Bios-এ যদি পাসওয়ার্ড দেওয়া থাকে, তাহলে মাদারবোর্ডের ব্যাটারি খুলে আবার লাগালে পাসওয়ার্ড মুছে যাবে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ আগস্ট, ২০১০

ডাউনলোড এ দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন

রাতে ইন্টারনেটের গতি বেশি পাওয়ায় অনেকেই কম্পিউটারে বিভিন্ন ফাইল কিংবা অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস নামানো শুরু করে (ডাউনলোড) ঘুমিয়ে পড়েন। ফাইল নামানো শেষ হলে কম্পিউটার চলতেথাকে এবং তা আবার ঘুম থেকে ওঠে কম্পিউটার বন্ধ করতে হয়। না হলে সারা রাত কম্পিউটার চালু থাকে এবং এতে অনেক বিদ্যুৎ অপচয় হয়।
এ কাজটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে করা যায়।খুব সহজেই কাজটি করা যাবে Free Download Manager সফটওয়্যার দিয়ে।এই সফটওয়্যারটি দিয়ে খুব দ্রুত নামানো যায় এবং এটি Resume সমর্থন করে।  ৬ মেগাবাইটের এই সফটওয়্যারটি বিনা মূল্যে নামিয়ে (ডাউনলোড) নিন।এবার সফটওয়্যারটি আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল করে নিন।
এখন সফটওয়্যারটি খুলে এর ওপরে Tools থেকে Shutdown computer when done-এ ক্লিক করুন। এখন থেকে এই সফটওয়্যারটি দিয়ে কোনো কিছু নামালে নামানোর কাজটি শেষ হলে নিজে থেকেই কম্পিউটার বন্ধ হয়ে যাবে।
এই অপশনটি বাদ দিতে চাইলে একইভাবে আবার Tools থেকে Shutdown computer when done-এ ক্লিক করুন।

পেনড্রাইভ ফরম্যাট হচ্ছে না?

কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণ করলে অনেক সময় পেনড্রাইভ ফরম্যাট করা যায় না।তবে এমন পরিস্থিতিতেও পেনড্রাইভ ফরম্যাট করা যায়। এ জন্য Start থেকে Control Panel-এ গিয়ে Administrative tools-এ দুই ক্লিক করুন। তারপর Computer Management-এ দুবার ক্লিক করুন। এখন বাঁ পাশ থেকে Disk Management-এ ক্লিক করলে ডান পাশে পেনড্রাইভসহ সব কটি ড্রাইভের লিস্ট আসবে। সেখান থেকে পেনড্রাইভের ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে ফরম্যাট করলে পেনড্রাইভ ফরম্যাট হবে।

শুক্রবার, ২৩ জুলাই, ২০১০

ব্লগে মজার মজার কাউন্টার ব্যবহার করুন


আপনার প্রিয় ব্লগটি কতটা জনপ্রিয় তা বোঝার জন্য কাউন্টার ব্যবহারের বিকল্প নেই। কতবার আপনার ব্লগটি ভিজিট হয়েছে, বা কতবার পোস্টগুলি পড়া হয়েছে এই ধরণের তথ্যসহ কোন দেশ থেকে, কিংবা কোন ওয়েবসাইটে আপনার ব্লগের লিংকে ক্লিক করে, দিনে, সপ্তাহে বা মাসে কতজন এলেন ইত্যাদি তথ্য বিভিন্ন ধরণের ভিজিটর কাউন্টার সরবরাহ করে। কাউন্টারভেদে তথ্য প্রদানের পরিমাণ কমবেশি হয়। আজ আমি আপনাদেরকে কিছু মজার ডিজাইনের কাউন্টারের সাথে পরিচিত করে দেব।


বিভিন্ন তথ্য ছাড়াও কাউন্টারের ডিজাইন একটি বিশেষ ব্যাপার। কেউ হয়তো খুব সিম্পল ডিজাইন পছন্দ করে, আবার কেউ বা নানারকম ডিজাইনকে কাউন্টার হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। যারা এই ধরণের বর্ণিল মনের তাদের জন্য Brevenet এর বিকল্প খুব কমই আছে। Brevenet কোম্পানী বিভিন্ন ধরণের ওয়েব সম্পর্কিত সুবিধা গ্রাহকদের জন্য প্রদান করে থাকে। গেস্টবুক, সাইট সার্চ সহ ব্লগার.কম বা ওয়ার্ডপ্রেস.কম এর মতো ফ্রি ব্লগ খোলার সুবিধাও এরা দিয়ে থাকে।
ফ্রি কাউন্টার পেতে হলে Brevenet এর সাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রশন করলেই হলো আর কিছু আপনাকে করতে হবে না। তারা আপনার দেয়া ইমেইল ঠিকানায় একটি কাউন্টারের কোড পাঠিয়ে দেবে। তবে তার ডিজাইনটি হবে একেবারে সিম্পল, সাদামাটা। কোডটুকু কপি করে নিয়ে ব্লগের গেজেটবক্সে পেস্ট করে সেভ করলেই একটিভ হয়ে যাবে Brevenet এর কাউন্টার। তবে এই পাঠিয়ে দেয়া কাউন্টারটির ডিজাইন যদি আপনার পছন্দ না হয়, তাহলে নিজেকেই একটু কষ্ট করে অনেকগুলো ডিজাইনের মধ্য থেকে বাছাই করে নিতে হবে।

Brevenet এর সাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশনের সময় দেয় আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। মেনুবারে Webtools নামক লেখা লিংকটিতে ক্লিক করুন। নিচের ছবির মতো একটি পেজ খুলে যাবে।
এখানে একেবারে নিচের লাল রঙ দিয়ে আয়তাকার দাগ দেয়া জায়গাটিতে যেখানে Counter Stats লেখা আছে সেখানে ক্লিক করুন। যে পেজ ওপেন হবে সেখানে আপনার কাউন্টারটির সেটিংস দেখতে পাবেন। সেখানে Image লেখা লিংকে ক্লিক করলে নিচের ছবির মতো একটি পেজ আসবে।
এখান থেকে বাছাই করে নিতে পারবেন আপনার পছন্দের মজার একটি কাউন্টার। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য যে, আপনি Brevenet থেকে মোট তিনটি ফ্রি কাউন্টার পাবেন।

নিচের ছবিটি লক্ষ্য করুন।
ব্রেভনেট আপনার ব্লগের ভিজিটরদের গোপনীয়তা ভঙ্গ না করে যতটা সম্ভব বিভিন্নরকম তথ্য সরবরাহ করে থাকে। কোন ব্রাউজার, কোন অপারেটিং সিস্টেম ইত্যাদি তথ্য তো দেয়, তাছাড়াও কোন দেশ থেকে এসেছে, কে তাকে রেফার করেছে আজকে পেজ ভিউ কতগুলো হয়েছে, ইউনিক ভিজিটর কতজন ইত্যাদি তথ্য বিভিন্নরকম চার্টের মাধ্যেম আপনি দেখতে পারবেন। আর এই সবগুলো সুবিধা তারা দেয় একেবারে বিনেপয়সায়।

Edge মডেম দিয়ে একের অধিক পিসিতে ইন্টারনেট ব্যবহার

আমরা ইচ্ছে করলে একটি মাত্র এজ মডেম দিয়ে দুইটি পিসিতে ইন্টারনেট শেয়ার করতে পারি। এর ফলে দুইটি পিসিতে দুইজন ব্যবহারকারী একই সাথে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারবে। এটা যেমন বাড়িতে ব্যবহার করা যাবে, তেমনি একটি ছোট সাইবার ক্যাফেতেও ব্যবহার করা যাবে। স্পিড একটু কম লাগতে পারে, কিন্তু ভিডিও না দেখলে এই ধীরগতি তেমন বোঝা যাবে না।
তো, দুইটি পিসিতে একটি Edge মডেম শেয়ার করার জন্য যেসব কাজ ধারাবাহিকভাবে করতে হবে, তা নিম্নরূপঃ

প্রথমেই দুইটা কম্পিউটার LAN দ্বারা সংযুক্ত থাকতে হবে। এক্ষেত্রে দুইটা কম্পিউটারের জন্য আপনি পিসি টু পিসি LAN ক্যাবল দিয়ে সংযুক্ত করতে পারেন। তারপর My computer-My netwok places এ set up a home or small office network এ click করে set up complete করুন। এরপর আপনার আইপি ADDRESS কনফিগার করুন। যে পিসিতে Modem থাকবে তার IP 192.168.0.1 করতে My computer-My network places-view network connection এ যান। Lan or high speed connection এর নিচে local area coneection এর উপর right click করে properties এ click করুন। internet protocol (TCP/IP) select করে properties এ ক্লিক করুন। use the following IP address এ ক্লিক করে IP-192.168.0.1 , subnet mask-255.255.255.0 , default gateway-192.168.0.1 দিন।

তারপর অন্য যে PC তে নেট ব্যাবহার করতে চান তার IP-192.168.0.2, subnet mask-255.255.255.0 ,default gateway- 192.168.0.1 এবং preferred DNS server-192.168.0.1 দিন। OK করে বেরিয়ে আসুন। এবার যে পিসিতে মডেম আছে তাতে মডেম সেটআপ দেওয়া থাকলে ...view network connection এ dial-up এর নিচে EDGE বা যা লিখা থাকবে তাতে right click-properties-advanced এ allow other network users to connect through this computer's internet connection এ টিক দিয়ে ok করে বেরিয়ে আসুন। তারপর দুই পিসিতেই ....local area connection-right click -disable করে আবার Enable করুন। এখন দুই পিসিতেই নেট পাবার কথা।
আমি এভাবেই configure করে চারজন Edge connection Share করছি। আনেক সময় windows fierwall এর জন্য নেট sharing এ সমস্যা হয়। সেক্ষেত্রে firewall বন্ধ করে দেখতে পারেন হয় কিনা।

লিখেছেন: জয়
সংগ্রহ করা হয়েছে আমাদের প্রযুক্তি থেকে।

বৃহস্পতিবার, ২২ জুলাই, ২০১০

হার্ড ড্রাইভের পার্টিশন অদৃশ্য করুন

যদি আপনার কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কের কোন ড্রাইভ অদৃশ্য করতে চান, তাহলে নিচের টিপসটি অনুসরণ করুন।

User configuration এর Administrative templates থেকে Windows explorer নির্বাচন করুন। এরপর Windows Explorer এর ডান পাশের মেনু থেকে Hide the

উইন্ডোজ এক্সপি ও ২০০০ এর এডমিন পাসওয়ার্ড ব্রেকিং!

এমনটা অনেকেরই হয় যে এই মাত্র উইন্ডোজ এক্সপি বা উইন্ডোজ ২০০০ সেটাপ করে লগইন করতে গিয়ে দেখলেন পাসওয়ার্ড কাজ করছে না। সেটাপের পাসওয়ার্ড দেয়ার সময় অন্যমনস্ক থাকার কারনে এটি হতেই পারে…! কিন্তু কি করবেন এক্ষেত্রে? আপনাকে এই বিপদ থেকে রক্ষা করার জন্যই ছোট একটা টিপস দিচ্ছি। আবার নতুন করে সেটাপ না দেয়ার আগে চেষ্টা করে দেখতে পারেন-

আপনার পার্টিশন যদি NTFS না হয়ে FAT32 হয়

বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই, ২০১০

কম্পিউটার রি-স্টোর (Restore)


আপনার কম্পিউটার যদি ভাইরাস আক্রান্ত হয় এবং আপনি যদি সাথে সাথে তা বুঝতে পারেন তাহলে ৫ মিনিটের মাঝে তা দূর করতে পারেন। আর এর জন্য আপনাকে কম্পিউটার রি-স্টোর করতে হবে। রি-স্টোর করতে প্রথমে start মেন্যুতে যান।পরে all programs থেকে Accessories> System tools > system restore এ যান।
এখন Restore my computer to an earlier time ক্লিক করে next এ ক্লিক করুন।

এখন ২ থেকে ৩ দিন আগের একটা তারিখ নির্বাচন করে Next এ ক্লিক করুন এবং রি-স্টোর করুন।

review http://www.carzon.tk on alexa.com